গায়েবী স্বাক্ষর দিয়ে একটি কুচক্রী মহল শত শত কোটি টাকার সার উত্তোলনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৪১ Time View

গায়েবী স্বাক্ষর দিয়ে একটি কুচক্রী মহল শত শত কোটি টাকার সার উত্তোলনের অভিযোগ

চট্টগ্রামের রাষ্ট্রীয়ত্ত্ব সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ডিএপি সার কারখানা এবং টিএসপি কমপ্লেক্স থেকে মেসার্স এম.এ ছবুর এ- ব্রাদার্স এর গায়েবী স্বাক্ষর নিয়ে একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘ প্রায় ১০ বৎসর যাবৎ শত শত কোটি টাকার সার উত্তোলন করে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। জানা যায় পটিয়া ১৪নং ভাটিখাইন ইউনিয়নে, ভাটিখাইন গ্রামের মৃত কালা মিয়ার পুত্র মৃত মোঃ আব্দুল ছবুর সওদাগর বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার মেসার্স এম.এ ছবুর এন্ড ব্রাদার্স নামে একটি লাইসেন্স নেন। ফটিকছড়ির বক্তপুর ইউনিয়নের বিতরণের জন্য বিসিআইসি ডিলার হিসেবে এই লাইসেন্সের অনুমোদিত। বিগত ১৫ই জুন ২০১০ ইং সালে আলহাজ্ব এম.এ সবুর সওদাগর এর স্ত্রী মরিয়ম বেগম পুত্র ইউনুছ ও মো. ইসহাক মিয়া এবং মেয়ে নূরজাহান বেগম, নূর নাহার বেগম ও নূর আয়েশা বেগম কে রেখে মারা যান তিনি। আলহাজ্ব এম.এ ছবুর সওদাগরের বড় পুত্র মো. ইউনুছ ও ইতিমধ্যে মারা গিয়েছেন। তার ছোট ছেলে মো. ইসহাক মিয়া দৈনিক আলোচিত কণ্ঠকে বলেন, মেসার্স এম.এ ছবুর এ- ব্রাদার্স যে প্রতিষ্ঠানটি আবু শাহাদাত মুহাম্মদ শামীম (৪৫)কে আমার পিতার লাইন্সসে সংক্রান্ত জানতে চাইলে সে লাইসেন্স বাতিল হয়েছে মর্মে উল্লেখ করেন। এর পর হইতে আমার ব্যবসা ভিন্ন হওয়াতে আমার পিতার লাইসেন্স সংক্রান্ত অবগত ছিলাম না, এই সুবাদে প্রায় দীর্ঘ ১০ বৎসর যাবত আমার পিতার গায়েবী স্বাক্ষর বসাইয়া রাষ্ট্রীয় সরকারের মালিকানাধীন টিএসপি, সিইউএফএল, ডি.এস.পি সার কারখানা হতে মজুদ সার পাচার করিয়া দেশের কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি সাধন করিয়াছে বিদায় দৈনিক আজাদী প্রতিবেদনের পর গত ১১ অক্টোবর আবু শাহাদাত মুহাম্মদ শামীম (৪৫) সাং-৫৫০/৫৫৫, স্ট্যান্ড রোড, মাঝিরঘাট, ৩০নং ওয়ার্ড, থানা-সদরঘাট, জেলা-চট্টগ্রাম, মোঃ আলী আজগর বৈদ্য, প্রকাশ বার্মা আজগর (৪৮), ম্যানেজার, সাং-তত্তারপোল, কালামিয়ার বাজার, থানা-বাকলিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম। ভোলাইয়া মনির আহমদ পিতা-অজ্ঞাত শামীমের কর্মচারী, সাং-স্ট্যান্ড রোড, মাঝির ঘাট, ৩০নং ওয়ার্ড, থানা-সদরঘাট, জেলা-চট্টগ্রাম বিরুদ্ধে প্রায় দীর্ঘ ১০ বৎসর সার উত্তোলনের দায়ে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম সহ অনুলিপি জেলা প্রশাসক সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি সভাপতি, চট্টগ্রাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। উপজেলা কৃষি অফিসার ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। উপ-পরিচালক, দূর্নীতি দমন কমিশন, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম, বরাবরে অভিযোগ প্রেরণ করি।
অত্যন্ত দূঃখের বিষয় আমি বিভিন্ন সংস্থা বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ জানালে প্রশাসন নড়ে চড়ে বসেন। চট্টগ্রাম সার ডিলার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ খান মাহাবুবের মধ্যস্থতায় আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের জামাতের কাউন্সিলর প্রার্থী মুলহোতা আবু শাহাদাত মুহাম্মদ শামীমের ভগ্নিপতি জামাতের শীর্ষ নেতা ডাঃ পারভেজ ইকবাল শরীফের নিজ প্রতিষ্ঠানে আন্দরকিল্লা হোটেল ইন্টারন্যাশানাল ১৪ অক্টোবর ফটিকছড়ি উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তা, লিটন দেবনাথ ও চট্টগ্রাম কৃষি কর্মকর্তাদের সহিত মুল হোতা আবু সাহাদাত মোঃ শামীমকে নিয়ে গোপন বৈঠক করে ২০লক্ষ টাকার লেনদেনের মাধ্যমে আবু শাহাদাত মুহাম্মদ শামীমকে বাদ দিয়ে ফটিকছড়ি থানার কৃষি কর্মকর্তা লিটন দেবনাথ বাদী হয়ে ২১ শে অক্টোবর একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় আমাকে প্রধান আসামী করেন, মেসার্স এম.এ সবুর এ- ব্রাদার্স এর ম্যানেজার আলী আজগর বৈদ্য এবং ফটিকছড়ি, নানুপুর সার ব্যবসায়ী হারুন ষ্টোরের মালিক, মোঃ হারুন কে আসামী করা হয়েছে। অথচ বিভিন্ন সার ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে জানতে পারলাম যে, সারের ডিলারশীপ নবায়নের ক্ষেত্রে কৃষি অফিসার নিজে উপস্থিত থেকে প্রতি বছর ডিলারশীপ নবায়ন করেন এবং বর্তমানে দৈনিক আজাদী পত্রিকার প্রতিবেদক এবং পত্রিকার বিরুদ্ধে কৃষি অফিসার মামলা করবে বলে হুমকি দিচ্ছে বলে আমি জানতে পারি। আমি অত্র মামলা হইতে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য এবং এই সার উত্তোনের মুল হোতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপ-পরিচালক এন.এস.আই. চট্টগ্রাম জেলার সহ-অনুলিপি, উপ-পরিচালক, দূর্নীতি দমন কমিশন, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম, ডি.আই.টি কমান্ডার, ডি.জি.এফ.আই, চট্টগ্রাম, ক্যান্টনমেন্ট, জেলা পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম। পরিচালক, র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম, বি.এফ.এ কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান মহোদয়, ঢাকা, বাংলাদেশ। ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন, বি.এফ.এ সচিব মহোদয়, ঢাকা। উপ-পরিচালক, কৃষি অধিদপ্তর, ঢাকা, ভারপ্রাপ্ত অফিসার, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম বরাবরে অভিযোগ দাখিল করি।
এই বিষয়ে সরেজমিনে জানতে চাইলে কৃষি অফিসার ও সদস্য-সচিব, উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম, লিটন দেবনাথ বলেন, আমি বিগত ৩০ অক্টেবার ২০১৩ইং সালে কর্মস্থলে যোগদান করার কিছুদিন পরে সব ডিলারকে ডাকালে মেসার্স এম.এ সবুর এ- ব্রাদার্স এর পক্ষে প্রতিমাসে সার উত্তোলন করেন মো. হারুন, তবে হারুণকে আমি অনেকবার এম.এ সবুরকে আনার জন্য বলিলে, সে আমাকে জানান এম.এস সবুর বয়স্ক ও বৃদ্ধ লোক, অসুস্থতার কথা বলায় এবং পটিয়া থেকে ফটিকছড়ি আসা উনার পক্ষে সম্ভপর নয় বলে জানান। অতপর আমি মোঃ হারুনের কথা বিশ্বাস করিয়া তাকে সার দিতে বাধ্য হই। কিন্তু আমি স্বাক্ষরের বিষয়ে না জেনে সার দিই। বর্তমানের স্বাক্ষর এবং পূর্বের স্বাক্ষরেরর মিল আছে বলে কৃষি অফিসার স্বীকার করেন এবং ইতিমধ্যে দৈনিক আজাদীর প্রতিবেদনে জানতে পারি যে, বিগত ১০ বৎসর পূর্বে মেসার্স এম.এ সবুর এ- ব্রাদার্স এর মালিক এম.এ সবুর সাহেব মৃত জানার পরে উনার স্বাক্ষর জাল করে প্রায় শত শত কোটি টাকার সার উত্তোলন করে। দৈনিক আজাদীতে যে শিরোনাম হয়েছে আমি আজাদী প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে মামলা করব বলে দৈনিক আলোচিত কণ্ঠকে বলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বাসভবন নির্মানের জন্য সংশোধিত ডিজাইন ও দরপত্রের অনুমোদন পেলে করা হবে নতুন ভবন।

স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক গৃহীত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বাসভবন নির্মান প্রকল্পে নতুন ভবন নির্মান এর ক্ষেত্রে ভবনের Soil Test করে ফাউন্ডেশন এলজিইডি’র ডিজাইন ইউনিট হতে যাচাইপূর্বক প্রাক্কলিত মূল্য স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে পূর্বানুমোদন নেয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, বোয়ালখালী ইতিমধ্যেই Soil Test, Topo Survey সম্পন্ন করায় এলজিইডি ডিজাইন ইউনিট হতে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে ডিজাইন পাওয়া গিয়েছে। পরবর্তীতে সংশোধিত ডিজাইন অনুমোদিত হয়েছে ৩০ নভেম্বর ২০২০ তারিখ। সর্বশেষ অনুমোদিত ডিজাইন অনুসারে প্রস্তুত করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
যথাযথ প্রক্রিয়ায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বাসভবন নির্মান প্রকল্পের কাজ চলমান।

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে উপজেলাসমূহের জন্য উন্নয়ন সহায়তা থোক বরাদ্দ থেকে উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনাদি নির্মান/পুনঃনির্মাণ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ উপখাতে রক্ষিত আছে বলেও জানা যায়।

এছাড়াও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পাওয়ার পর দেশের সার্বিক অবস্থার কারণে দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় ওই বিলের টাকা তুলে সোনালী ব্যাংক বোয়ালখালী শাখার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের যৌথ হিসাব নম্বরে জমা করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিধি অনুযায়ী কার্যক্রম প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে বরাদ্দ এসেছে। বরাদ্দ দিয়ে তারা বলে, Soil Test দুই ভবনের জন্য যেকোনো একটি সিঙ্গেল ভবনের জন্য অর্থবছরে ৪০ লাখ টাকা পাওয়ার কথা। দেওয়ার পরে বরাদ্দপত্রে উপজেলা পরিষদের অনুকূলে বরাদ্দায়ন হচ্ছে। জিডিও হচ্ছে জিডিও মানে আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা উপজেলা পরিষদ। উপজেলা পরিষদ মানে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সেখানে হচ্ছে ৪০ লাখ টাকা দুই ভবনের জন্য সেখানে বলা আছে যে, Soil Test হবে, ডিজাইন হবে, এসিল্যাড হবে, ডিজাইন অনুমোদন হবে তারপর টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাবে। সেক্ষেত্রে এখন যেটা হয়েছে আমাদেরটা বোয়ালখালী উপজেলায় ডিজাইন অনুমোদন হয়ে এসেছে। আমরা ডিজাইন সংশোধন করে পাঠিয়েছি স্থানীয় সরকার অনুমোদন দিলে তারপরে টেন্ডারে যাবে। মিনিস্ট্রি যে টাকা বরাদ্দ এসেছে তা উপজেলা পরিষদের নামে রয়েছে। উপজেলা পরিষদের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার নামে সেই টাকা ফিল খাতে রক্ষিত আছে।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম বলেন, ভবনের ৪০ লাখ টাকা আমাদের কাছে এসেছে তা যোগসাজোশে একটি সরকারি একাউন্ট করে টাকা জমা রেখেছি। ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ কথাটি সত্য নয়। ইউএনও ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়েছে সেটা ঠিক। এটা নিয়ে নিউজ হয়েছে। কিন্তু টাকা আত্মসাৎ এর কথা যেটা বলা হয়েছে সেই টাকা জমা আছে। soil test ও ডিজাইন পাঠানো হয়েছে অনুমোদন না আসলে তো টেন্ডার করা যাচ্ছে না। সারা বছর করোনা ভাইরাসের জন্য কিছু করা যাচ্ছে না বলে আমরা টাকা গুলো সরকারি একাউন্টে ঢুকিয়ে রেখেছি। আর কন্ট্রাক্টর ছাড়া অনুমোদন করার সুযোগ নেই। যে কন্ট্রাক্টর কাজ করবে তাকে পেমেন্ট করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প পথ নাই।

এ সম্পর্কে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব (সমন্বয় ও কাউন্সিল) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের নতুন বাসভবন নির্মাণের জন্য যদি পুরাতন বাসভবন থাকে তাহলে সেটা পরিত্যক্ত ঘোষণা এবং অনুমোদন সাপেক্ষে আমরা বরাদ্দ দিয়ে থাকি। পুরাতনটি যদি জেলা কমিটিতে পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় যদি অনুমোদিত হয় তখন আমরা নতুনভাবে নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দিয়ে থাকি। সাধারণত আমরা প্রতিবছর অল্প অল্প করে টাকা দেই। যাতে একবারে টাকাটা দেই না কারণ এটার এস্টিমেটেড ফস্ট এ্যারাউন্ড ১ কোটি ৩৭ থেকে ৫৩/৫৫ পর্যন্ত ভেরি করে। এটা সয়ল কন্ডিশনের উপর নির্ভর করে। পাইন প্রয়োজন হলে বেশী লাগে আর পাইন না হলে কম লাগে। যেহেতু আমরা একবারে টাকাটা দেই না প্রতিবছর সাধারণত ৪০ লাখ টাকা দেই। দেওয়ার পরে তারা আনুষঙ্গিক কার্যক্রম গ্রহণ করে। বিশেষ করে soil test, estimate এগুলো করতে করতে একটু সময় লাগে। এ কাজটা তো এত সহজে করা যায় না। পরে এটা আমাদের কাছে পাঠায় আমরা এস্টিমেটটা যদি অনুমোদিত হয়। পরে টেন্ডারে যায় টাকাটা খরচ করে। তাহলে প্রথম যে টাকাটা বরাদ্দ দিলাম টাকা তো খরচ করতে পারে না। পরে টাকাটা ভবনের নামে একটা একাউন্ট খুলে ধরেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বা উপজেলা চেয়ারম্যানের নতুন বাসভবন নির্মাণ প্রকল্প। সেখানে একাউন্ট খুলে। এই একাউন্টের মালিক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার। মালিক বলতে জিডিও। মানে আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা। খরচ করবেন দু’জনের স্বাক্ষরে। সেজন্য ওনাদের দু’জনের স্বাক্ষরে হিসাব খুলে টাকাটা ওখানে ঢুকানো হয়। পরবর্তীতে ঐ যে টেন্ডার হলে পর্যায়ক্রমে খরচ করে। যখন সব টাকা খরচ হয়ে যায় তখন ক্লোজ দেখাতে হয়। এখানে আমরা দেখলাম টাকাটা কেবল উত্তোলন করেছে। এখন এস্টিমেট অনুমোদিত হবে। এখানে অনিয়ম কি? সে তো খরচও করে নাই।
মোর দেন হান্ড্রেড (More then Hundred) উপজেলায় এই ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।

বোয়ালখালীতে অনুমোদনের অপেক্ষায় নির্বাহী অফিসারের বাসভবন