ভোটাধিকার ফেরত চাই – গনতন্ত্রের মুক্তি চাই

এম. কপিল উদ্দিন
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৫০ Time View

আজ মানুষ শুধু ভোটাধিকার বঞ্চিত নয়; মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত। “বাংলাদেশ” পৃথিবীর একমাত্র গনতান্ত্রিক দেশ (কাগজে-কলমে) যে দেশে সরকারও নাই বিরোধীদলও নাই। দাদা বাবুদের নীল নকশায় প্রশাসন নির্ভর মেরুদন্ডহীন হয়ে পড়েছে আমাদের “জীবন বাংলাদেশ”। এই প্রেক্ষাপটে যেন ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার চাওয়াটাই মহাপাপ। বৃটিশ শাসনামলে কাজী নজরুল কে বৃটিশ বিরোধী কবিতা প্রবন্ধ লিখতে গিয়ে কতবার যে জেলে যেতে হয়েছে তার হিসেব নেই, প্রীতিলতা, সূর্যসেনসহ শত শত বীরেরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছিল একদিন স্বৈরশাসক থেকে মাতৃভূমিকে মুক্ত করবে বলে। হুম ইতিহাস স্বাক্ষী বৃটিশের উপনিবেশিক শাসন থেকে একদিন মুক্তি মিলে ছিলো কিন্তু যাওয়ার সময় ভৌগোলিক পরিমণ্ডলকে উপেক্ষা করে বৃটিশ সৃষ্ট অনুচর দিয়ে ধর্মীয় বিবেচনায় পাক-ভারত আলাদা হয়। এমন ভাবে দেশ বিভাগ করেছিলো যাতে কমপক্ষে আরও শতবছর পাক ভারতের লোকজন অশান্তিতে থাকে। প্রায় ১২০০ কিলোমিটার এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশের দূরত্বে দুটি প্রদেশ মিলে হল পাকিস্তান। এই দেশটাও যে টিকবে না তখনই অনেকেই চিন্তা ভাবনা ছাড়াই বলে দিয়ে ছিলো। ভাষা বিজ্ঞানীরা বলে প্রতি পাচঁ কিলোমিটার অন্তর অন্তর কিছু শব্দ বা ভাষার তারতম্য ঘটে। সেখানে ১২শত কিলোমিটার দূরের পশ্চিম পাকিস্তানিদের সাথে পূর্ব পাকিস্তানিদের ভাষাগত বিরাট পার্থক্য থাকবে এটাই স্বাভাবিক অতপর মাতৃভাষা রক্ষায় বৃটিশের রেখে যাওয়া শকুনের বাচ্চাদের হাতে শহীদ হতে হয়েছিল আমাদের ভাই ” ভাষা সৈনিক সালাম, জব্বার, রফিক, বরকতদের মত হাজারো ছাত্রজনতার এবং তাদের রক্তের বিনিময়ে রক্ষিত হয়েছিলো প্রিয় মাতৃভাষা “বাংলা”। মুখের ভাষা কেড়ে নিতে না পেরে পশ্চিম পাকিস্তানিরা নানা ভাবে প্রবঞ্চনা দিতে থাকে পূর্ব পাকিস্তানিদের। পশ্চিমীরা পূর্ব পাকিস্তানিদের উপর অত্যাচারের মাত্রা বাড়াতে থাকে। আজব একখান দেশ – একই পরিবারের দুটি সন্তান হওয়া শর্তেও সতীনের ছেলের মত আচরণ পূর্ব পাকিস্তানিদের সাথে। একে একে সব মৌলিক অধিকার থেকে পূর্বদের বঞ্চিত করা শুরু করলো পশ্চিমারা। অবশেষে ১৯৭০ সালে কেড়ে নিলো জনতার শেষ আশার অধিকার ” ভোটাধিকার”। ৭০ এর নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানিরা সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেলেও ক্ষমতার আসনে বসতে দেয়নি পশ্চিমা স্বৈরশাসকের দল। ফলে যুদ্ধ অপরিহার্য হয়ে পড়ে পূর্ব পাকিস্তানিদের। লক্ষ লক্ষ মা বোনের ইজ্জত ও লক্ষ লক্ষ আবাল বৃদ্ধ, যুবক, যুবতী ও ছাত্র-ছাত্রীদের তাজা প্রাণের বিনিময়ে ভোটাধিকার রক্ষিত হল সাথে পাক অপশাসন থেকেও মুক্তি পেল পূর্ব পাকিস্তানিরা; প্রতিষ্ঠিত হল লক্ষ লক্ষ তাজা প্রাণের রেখে যাওয়া স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে প্রিয় “বাংলাদেশ”। কিন্তু বৃটিশবীজ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায় লাখ শহীদের স্বপ্ন বারবার হুঁচোট খাচ্ছিলো। স্বাধীনতা পরবর্তী সরকার যুদ্ধপরবর্তী পূনর্বাসনের দোহাই দিয়ে লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করল, গনতন্ত্র হত্যা এবং রাজনৈতিক অধিকার হরন করে প্রতিষ্ঠিত করলো আরেক কালো অধ্যায় ” বাকশাল”। সৃষ্টি কর্তার অশেষ মেহেরবানীতে বাংলার লৌহ মানব, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের নায়ক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের বীরত্ব ও সাহসী নেতৃত্বে বাংলাদেশে সত্যিকারের বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়; সাধারণ মানুষ ফিরিয়ে পায় মৌলিক অধিকার। সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ কিন্তু বাংলার মানুষের সুখ বেশিদিন টিকলো না। শকুন দলের উত্তরসূরিদের হাতে শহীদ হতে হয়েছিল রাখাল রাজা, কারিশমাটিক নেতা “জিয়াউর রহমানকে”। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরবর্তী স্বৈরশাসক ক্ষমতা দখলে নিলেও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এইদেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয় এবং গনতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা পায়। গনতন্ত্রকে সম্মান ও শক্তিশালী করতে বেগম জিয়া জনগণের রায়কে শ্রদ্ধা দেখিয়ে ফলাফল মেনে নিয়ে ক্ষমতা থেকে সরে যায়। তখন সাধারণ মানুষের কাছে ভোটের দিন গুলো ছিলো উৎসবে ভরপুর। কিন্তু ক্ষমতা লোভী, বৃটিশের বীজ, বাকশালির উত্তরসূরীরা ধর্মীয় লেবাস লাগিয়ে ক্ষমতায় বসে। ধর্মীয় লেবাসীরা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের গৌরব ও অর্জনকে বিক্রি করে আবারও গনতন্ত্র হত্যা, মানুষের মৌলিক অধিকার হরন করে এবং সর্বশেষ ৭০ এর মত আবারও জনগণের ভোটাধিকার হরন করে নেয়। আবারও মুক্তির আন্দোলন, ভোটাধিকার ফিরিয়ে পাওয়ার আন্দোলন অপরিহার্য হয়ে পরেছে। শহীদ জিয়ার রক্তকে আজও তারা ভয় পায়। তাইতো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরী প্রিয় নেতা তারেক রহমানকে নানা ধরনের সাজানো মামলায় জড়িয়ে কোনঠাসা করে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে এবং এদেশের মানুষেদের সত্যিকারের স্বাধীনতার সুফল ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে নেতৃত্ব দানকারী, মৃত্যুঞ্জয়ী নেতা তারেক রহমানকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছে। জাতির পতাকা খামচে ধরা পুরনো সেই শকুনের দলকে বিতাড়িত করতে ছাত্র ও যুবসমাজকে দায়িত্ব নিতে হবে। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা আন্দোলনের ন্যায় “ভোটাধিকার ও গনতন্ত্র রক্ষার” আন্দোলনও সফল হবে। ইনশা আল্লাহ।। এই আন্দোলনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা অংশ নিয়েছে/নিচ্ছে বিগত আন্দোলন গুলোর মত এটাও ইতিহাস হবে এবং তাঁরা বীরের মর্যাদায় ভূষিত হবে আর যারা এটার বিরোধিতা করবে তারা রাজাকার- আলবদর কিংবা মীর জাফরের মত ইতিহাসের নিকৃষ্টতম স্থানে নিক্ষিপ্ত হবে।।

১৪/০১/২০২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বাসভবন নির্মানের জন্য সংশোধিত ডিজাইন ও দরপত্রের অনুমোদন পেলে করা হবে নতুন ভবন।

স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক গৃহীত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বাসভবন নির্মান প্রকল্পে নতুন ভবন নির্মান এর ক্ষেত্রে ভবনের Soil Test করে ফাউন্ডেশন এলজিইডি’র ডিজাইন ইউনিট হতে যাচাইপূর্বক প্রাক্কলিত মূল্য স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে পূর্বানুমোদন নেয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, বোয়ালখালী ইতিমধ্যেই Soil Test, Topo Survey সম্পন্ন করায় এলজিইডি ডিজাইন ইউনিট হতে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে ডিজাইন পাওয়া গিয়েছে। পরবর্তীতে সংশোধিত ডিজাইন অনুমোদিত হয়েছে ৩০ নভেম্বর ২০২০ তারিখ। সর্বশেষ অনুমোদিত ডিজাইন অনুসারে প্রস্তুত করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
যথাযথ প্রক্রিয়ায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বাসভবন নির্মান প্রকল্পের কাজ চলমান।

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে উপজেলাসমূহের জন্য উন্নয়ন সহায়তা থোক বরাদ্দ থেকে উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনাদি নির্মান/পুনঃনির্মাণ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ উপখাতে রক্ষিত আছে বলেও জানা যায়।

এছাড়াও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পাওয়ার পর দেশের সার্বিক অবস্থার কারণে দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় ওই বিলের টাকা তুলে সোনালী ব্যাংক বোয়ালখালী শাখার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের যৌথ হিসাব নম্বরে জমা করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিধি অনুযায়ী কার্যক্রম প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে বরাদ্দ এসেছে। বরাদ্দ দিয়ে তারা বলে, Soil Test দুই ভবনের জন্য যেকোনো একটি সিঙ্গেল ভবনের জন্য অর্থবছরে ৪০ লাখ টাকা পাওয়ার কথা। দেওয়ার পরে বরাদ্দপত্রে উপজেলা পরিষদের অনুকূলে বরাদ্দায়ন হচ্ছে। জিডিও হচ্ছে জিডিও মানে আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা উপজেলা পরিষদ। উপজেলা পরিষদ মানে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সেখানে হচ্ছে ৪০ লাখ টাকা দুই ভবনের জন্য সেখানে বলা আছে যে, Soil Test হবে, ডিজাইন হবে, এসিল্যাড হবে, ডিজাইন অনুমোদন হবে তারপর টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাবে। সেক্ষেত্রে এখন যেটা হয়েছে আমাদেরটা বোয়ালখালী উপজেলায় ডিজাইন অনুমোদন হয়ে এসেছে। আমরা ডিজাইন সংশোধন করে পাঠিয়েছি স্থানীয় সরকার অনুমোদন দিলে তারপরে টেন্ডারে যাবে। মিনিস্ট্রি যে টাকা বরাদ্দ এসেছে তা উপজেলা পরিষদের নামে রয়েছে। উপজেলা পরিষদের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার নামে সেই টাকা ফিল খাতে রক্ষিত আছে।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম বলেন, ভবনের ৪০ লাখ টাকা আমাদের কাছে এসেছে তা যোগসাজোশে একটি সরকারি একাউন্ট করে টাকা জমা রেখেছি। ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ কথাটি সত্য নয়। ইউএনও ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়েছে সেটা ঠিক। এটা নিয়ে নিউজ হয়েছে। কিন্তু টাকা আত্মসাৎ এর কথা যেটা বলা হয়েছে সেই টাকা জমা আছে। soil test ও ডিজাইন পাঠানো হয়েছে অনুমোদন না আসলে তো টেন্ডার করা যাচ্ছে না। সারা বছর করোনা ভাইরাসের জন্য কিছু করা যাচ্ছে না বলে আমরা টাকা গুলো সরকারি একাউন্টে ঢুকিয়ে রেখেছি। আর কন্ট্রাক্টর ছাড়া অনুমোদন করার সুযোগ নেই। যে কন্ট্রাক্টর কাজ করবে তাকে পেমেন্ট করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প পথ নাই।

এ সম্পর্কে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব (সমন্বয় ও কাউন্সিল) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের নতুন বাসভবন নির্মাণের জন্য যদি পুরাতন বাসভবন থাকে তাহলে সেটা পরিত্যক্ত ঘোষণা এবং অনুমোদন সাপেক্ষে আমরা বরাদ্দ দিয়ে থাকি। পুরাতনটি যদি জেলা কমিটিতে পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় যদি অনুমোদিত হয় তখন আমরা নতুনভাবে নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দিয়ে থাকি। সাধারণত আমরা প্রতিবছর অল্প অল্প করে টাকা দেই। যাতে একবারে টাকাটা দেই না কারণ এটার এস্টিমেটেড ফস্ট এ্যারাউন্ড ১ কোটি ৩৭ থেকে ৫৩/৫৫ পর্যন্ত ভেরি করে। এটা সয়ল কন্ডিশনের উপর নির্ভর করে। পাইন প্রয়োজন হলে বেশী লাগে আর পাইন না হলে কম লাগে। যেহেতু আমরা একবারে টাকাটা দেই না প্রতিবছর সাধারণত ৪০ লাখ টাকা দেই। দেওয়ার পরে তারা আনুষঙ্গিক কার্যক্রম গ্রহণ করে। বিশেষ করে soil test, estimate এগুলো করতে করতে একটু সময় লাগে। এ কাজটা তো এত সহজে করা যায় না। পরে এটা আমাদের কাছে পাঠায় আমরা এস্টিমেটটা যদি অনুমোদিত হয়। পরে টেন্ডারে যায় টাকাটা খরচ করে। তাহলে প্রথম যে টাকাটা বরাদ্দ দিলাম টাকা তো খরচ করতে পারে না। পরে টাকাটা ভবনের নামে একটা একাউন্ট খুলে ধরেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বা উপজেলা চেয়ারম্যানের নতুন বাসভবন নির্মাণ প্রকল্প। সেখানে একাউন্ট খুলে। এই একাউন্টের মালিক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার। মালিক বলতে জিডিও। মানে আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা। খরচ করবেন দু’জনের স্বাক্ষরে। সেজন্য ওনাদের দু’জনের স্বাক্ষরে হিসাব খুলে টাকাটা ওখানে ঢুকানো হয়। পরবর্তীতে ঐ যে টেন্ডার হলে পর্যায়ক্রমে খরচ করে। যখন সব টাকা খরচ হয়ে যায় তখন ক্লোজ দেখাতে হয়। এখানে আমরা দেখলাম টাকাটা কেবল উত্তোলন করেছে। এখন এস্টিমেট অনুমোদিত হবে। এখানে অনিয়ম কি? সে তো খরচও করে নাই।
মোর দেন হান্ড্রেড (More then Hundred) উপজেলায় এই ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।

বোয়ালখালীতে অনুমোদনের অপেক্ষায় নির্বাহী অফিসারের বাসভবন