গ্লোরী কোম্পানির বর্জ্যে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ও পথচারী।

মাসুদ লস্কর, সিলেট ব্যুরো প্রধান
  • Update Time : রবিবার, ৭ আগস্ট, ২০২২
  • ২২৮ Time View

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রতনপুর- ফান্দাউক রোডে গ্লোরী নামক কোম্পানির অপরিকল্পিত বর্জ ব্যবস্থাপনা ও পঁচা দুর্গন্ধের কারণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী বাসী সহ পথচারীরা।

জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই এলাকার একটি প্রভাবশালী মহলকে হাত করে গ্লোরী কোম্পানি তাদের উৎপাদন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ভুট্টা পঁচিয়ে গু-খাদ্য উৎপাদন, কর্ন পাওডার তৈরি,ও অন্যান্য কাচামাল তৈরির ফলে সৃষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অপরিকল্পিত হওয়ায় সরাসরি দুষিত পানি ড্রেনের মাধ্যমে মুক্ত খালে নিষ্কাশন করায় পার্শ্ববর্তী দাশপাড়া, এক্তিয়ারপুর, শ্রীমতপুর, গোপীনাথপুর, ছাতিয়াইন সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের ফসলের ক্ষতির কারন হয়ে দাড়িয়েছে।

তাছাড়া কোম্পানির দুর্গন্ধের কারনে রতনপুর ফান্দাউক রোডের যাত্রীদের চলাচলের সময় নাকে হাত দিয়ে চলাচল করতে হয়। কখনো কখনো যাত্রীরা বমি পর্যন্ত করে থাকে।
দাশপাড়া গ্রামের আব্দুর রহমান মিজান বলেন, কোম্পানির দূষিত পানির কারনে ফসলের যেমন ক্ষতি হচ্ছে তেমনি গবাদিপশুও মারা যাচ্ছে অহরহ। তাছাড়া দুষিত পানির কারনে খাল-বিলের মাছ মরে পানিতে ভেসে উঠায় এলাকার জেলেরা দূর্বিষহ দিনাতিপাত করছে। শ্রীমতপুর গ্রামের জুলহাস জানান, আগের মত গরু ছাগল মাঠে চড়াতে পারি না, গোহালে বেধে রাখতে হয়। বিষাক্ত পানি খেয়ে গরু ছাগল মারা যায়। সায়হাম গ্রুপে চাকুরী রত
ছাতিয়াইন গ্রামের ফরিদ জানান, গ্লোরী কোম্পানি সাধারণত রাত ১২ টার পর তাদের দুষিত ও ময়লা পানি ড্রেন খুলে দিয়ে খালে ছেড়ে দেয়। গ্রামবাসী ঘুমে থাকায় পুরুপুরি দুর্গন্ধ যেন ঠের না পার সে জন্য তাদের এ লুকোচুরি খেলা। গ্লোরী কোম্পানির বিরুদ্ধে এ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রতিবেদক সরজমিনে তদন্ত করতে গেলে কোম্পানিতে কর্মরত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংবাদিক প্রবেশ নিষেধ বলে জানিয়ে দেয় এবং কথা বলতে রাজি হয়নি।

কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল সাইফুল ইসলাম এর সাথে ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয় টি দেখব বলে কল কেটে দেন। গ্লোরী’র পরিবেশ দুষনের ব্যাপারে বেশ কয়েকবার হবিগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের সাথে প্রতিবেদকের কথা হয়, ছাড় পত্র আছে কি না জানতে চাইলে তিনি দেখে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বস্ত করলেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রতিবেদন লেখার সময় বেশ কয়েকবার পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও উনার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চট্টগ্রামের ২৪ নং ওয়ার্ড ছোট পোল এলাকা থেকে সজিব (৩০) নামে ছেলেটি নিখোঁজ

চট্টগ্রামের হালিশহর থানাধীন ২৪ নং ওয়ার্ড ছোট পোল এলাকায় এক রিক্সা চালকের খোঁজ মিলছে না। তাঁর নাম মোঃ সজিব (৩০) সজিবের পরিবারের সদস্যরা বলছেন ২০ জানুয়ারি আনুমানিক রাত ৮ টার দিকে ছেলেটি রিকশা চালানোর উদ্দেশ্যে নিয়ে বেরিয়েছেন। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। নিখোঁজ হওয়ার সময়,ছেলেটির গায়ে ছিল লাল/কালো রঙের ফুল /টি-সার্ট পরনে ছিল- লুঙ্গি ছেলেটির গায়ের রং স্যামলা, মাথার চুল কালো, মুখমণ্ডল একটু লম্বা ছোট,ছোট, দাড়ি আছে। উচ্চতা ৬” ফুট ৩” ইঞ্চি- এ বিষয়ে এলাকায়, বন্ধু বান্ধব, আত্মীয় স্বজনদের, কাছে জানার চেষ্টা করলেও কোন সন্ধান মিলেনি এ ঘটনায় পরের দিন,তার পরিবারের সদস্যরা হালিশহর থানায়,উপস্থিত হয়ে,একখানা সাধারণ ডায়েরি
করেছেন।জিডি নং-১১১০,

নিখোঁজ ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানাঃ-
মোঃ সজিব,(৩০)
পিতার নাম মোঃ রহমাতুল্লাহ, মাতার নামঃ-সেফালী খাতুন, গ্রামঃ- সুবর্ণচর – মধ্যম ব্যাগ্যা, ০৫ নং চর জুবলি থানাঃ- চরজব্বর জেলাঃ- নোয়াখালী
নিখোঁজ ব্যক্তির বাবা সাংবাদিকদের বলেন। তার ছেলে বর্তমানে,রিকশা চালিয়ে কষ্ট করেও,খুবই সুন্দর ভাবে,সকলকে নিয়ে, মিলেমিশে,দিনগুলি অতিবাহিত করতেছিলেন। নিখোঁজ ব্যক্তির, বর্তমান, ঠিকানাঃ- হালিশহর থানার, ব্যারিস্টার আবাসিকের, ২৬ নং ওয়ার্ড, মইন্যা পাড়া এলাকায় থাকেন। তবে গত শুক্রবার রাত থেকে তার কোন খোঁজ মিলছে না।

এ ব্যাপারে হালিশহর থানার এসআই মোঃ সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন নিখোঁজ রিকশা চালককে খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। সঠিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সর্বশেষ অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ছেলেটির বাবার আকুল আবেদন যদি কোন সহৃদয় ব্যক্তি ছেলেটির সন্ধান পেয়ে থাকেন এই নিচের মোবাইল নম্বরসহ ঠিকানায়। যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান।

যোগাযোগের ঠিকানাঃ-
মোঃ রহমত উল্লাহ মাতার নামঃ-সেফালী খাতুন, ব্যারিস্টার আবাসিক,মাইন্যা পাড়া ২৬ নং ওয়ার্ড হালিশহর থানা চট্রগ্রাম
মোবাইল নম্বর /০১৮৭৮-৩১৯৪৯০
সকলের সহযোগিতা কামনা করছি

চট্টগ্রাম ছোট পোল এলাকার ২৪নং ওয়ার্ড হইতে সজিব (৩০) নামক এক যুবক নিখোঁজ

১৫ই আগষ্ট জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বাষি`কী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্বা আলহাজ্ব মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী’র সভাপতিত্বে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এম.পি। তিনি বলেন-১৫ই আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশী বিদেশী চক্র হত্যা করে বাঙ্গালীর কপালে কলংক লেপে দিয়েছে,এ থেকে উত্তরণের পথ বঙ্গবন্ধুর কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সারা বিশ্বকে আজ দেখিয়ে দিয়েছে। তিনি আরো বলেন-যারা উন্নয়নের পথে বাধাবিঘ্ন সৃষ্টি করছে তাদের বিরুদ্ধে রুকে দাঁড়ানোর জন্য নেতা কমী`দের আহবান জানান। বক্তব্য রাখেন-সহ সভাপতি যথাক্রমে – সাবেক প্রশাসক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম চৌং, এডঃ ইব্রাহিম চৌং বাবুল,শফিকুল ইসলাম বাচ্চু,যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এডঃ বদিউলের আলম,সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব শফিক আদনান চৌধুরী,আইন বিষয়ক সম্পাদক এডঃ সাইমুল চৌধুরী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ ফয়সল,পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মশিউর রহমান চৌং,তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জালাল উদ্দিন ইকবাল।আরো বক্তব্য রাখেন কায`করী সদস্যবৃন্দ ও থানা এবং ওয়াড` থেকে আগত নেতৃবৃন্দ।

১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।