চট্টগ্রাম বন্দরনগরী ইপিজেড থেকে পতেঙ্গা কাটগোর পর্যন্ত চলিতেছে পরিবহন চাঁদাবাজি ও মানুষের নামে মিথ্যা মামলা

চট্টগ্রাম রিপোর্টারঃ মোঃ ফরহাদ ভুঁইয়া
  • Update Time : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪৪ Time View

চট্টগ্রাম বন্দরনগরী ইপিজেড থেকে পতেঙ্গা কাটগোর পর্যন্ত চলিতেছে পরিবহন চাঁদাবাজি ও মানুষের নামে মিথ্যা মামলা করে যাচ্ছে একটি চক্র সেই চক্র নাম হলো নুরইসলাম মানিক হানিফ এরা কাঠগর সিমেট ক্রসিং এয়ারপোর্ট রিপোর্ট ফ্রী পোট এলাকাতে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে, যারা চাঁদা না দিলে তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করে মিথ্যা মামলা দিয়ে অযথা মানুষকে রাস্তায় রাস্তায় কাদাচ্ছে এদেরকে কেউ কিছু বলতে চাইলে এরা পুলিশ প্রশাসনের ভয় দেখায় এদের জোর কোথায়, এদেরকে কে লিড দিচ্ছে এদের খুটির জোর কোথায়, এরা কি আইনের ঊর্ধ্বে কেউ এরা আইনকে তোয়াক্কা না করে চলে চালিয়ে যাচ্ছে চাঁদাবাজি অবৈধ গাড়িগুলো নাই কোনো ডকুমেন্ট গাড়িগুলো পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নাকি তারা চালাচ্ছে এমন অভিযোগ আমাদের কাছে করেন ঐ এলাকার পরিবহন ডকুমেন্ট গাড়ির মালিক গুলো ফ্রিপোর্ট কর্ণফুলী কে ইপিজেড কে জেড যেসব বাস চলে, এই গাড়িগুলো একটা ডকুমেন্ট নাই এই গাড়িগুলো চালাচ্ছে নুর ইসলামের নেতৃত্বে চালাচ্ছে মানিক, বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী নুরুল ইসলাম এর মুখোমুখি হয়ে জানতে চাইলে তিনি আমাদেরকে বলেন আমি যদি চাঁদাবাজি করি আমার কেউ চাঁদাবাজি করলে তা হলে আপনারা নিউজ করেন আমাকে ও সহযোগীদের কে পুলিশ আইনের আওতায় আনবে বলেন,জানিয়েছেন নুরুল ইসলাম, দৈনিক পএিকা সাংবাদিকদ হানিফের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি আমাদের কে বলেন আমি চাঁদাবাজি করিনা আপনাদের কাছে কোনো প্রমাণ থাকলে নিউজ করেন আমি হামলা-মামলা কে ভয় করি না দৈনিক পএিকা চট্টগ্রাম হিউম্যান হলার চালক ও সহকারী শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিষ্ট্রেশন ২১৭০ এর পতেঙ্গা শাখার কার্যকরী সভাপতি ইউসুফ মিয়া কাছে জানতে চাইলে উনি আমাদের কে বলেন নুরুল ইসলাম ও হানিফ মানিক এরা একটি চক্র এদের কে কেউ থামাতে পারছেনা এই এলাকাতে এরা এমন একটি চক্র নুরুল ইসলাম নামে এই লোক টি ২০১৭/১৮ সালে ভাত পর্যন্ত খেতে কষ্ট হতো যখন ২০০০ সালে করুনা আসে সে বিভিন্ন রকমের অপকর্ম চালিয়ে আজ কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে সে কি করে আজ গাড়ি-বাড়ির মালিক হয় নিশ্চয়ই সেই চাঁদাবাজি ইয়াবা বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম ব্যবসার সাথে জড়িত আছে তার সাথে রেখেছে মানিক ও হানিফ তাদেরকে দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে পরিবহনে চাঁদাবাজি ও মিথ্যা মামলার বাদী দৈনিক পএিকার সাংবাদিকদের কে কয়েকজন ড্রাইবার সহ আমাদের কে রাসেল বলেন নুরুল ইসলাম নামে এই লোক টি আমাকে এয়ারপোর্টে চাঁদা উঠানোর জন্য বলেন আমি চাঁদা না উঠানোর জন্য অস্বীকার করছি বলে আমার গাড়ির বিভিন্ন মামলা দিয়ে এখন আমাকে একটা মামলা দিয়ে হয়রানি করতেছে নুর ইসলাম নামের এই লোকটি আমাকে চাঁদা উঠানোর জন্য বলছেন যে একটি কল রেকর্ড আমার কাছে আছে এবং তার সহযোগী হানিফ এরা যেসব চাঁদা বাজি চালিয়ে যাচ্ছে এমন কিছু ছবি ও আমার আছে এই হানিফ হিউম্যান হলার গাড়ির রোড পারমিট জালিয়াতি করে মানুষকে দিচ্ছে এমনও প্রমাণ আমার কাছে আছে হানিফ একজন চাঁদাবাজ ও জালিয়াতকারী সে দুই নম্বর লাইসেন্স বানিয়ে দেয় এমন প্রমাণ আছে আমার কাছে তাই এদের বিরুদ্ধে কেউ যদি কিছু বলে এরা পরিবহনশ্রমিক দের কে হয়রানি করে তাই ড্রাইভার শ্রমিক ইউনিয়ন ও সচেতন মহল বাংলাদেশ সরকার কাছে ও চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এরা কারা এদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার জন্য আহবান জানাচ্ছি দৈনিক পএিকা সাংবাদিবৃন্দ কাটগড় এলাকার টিআই মোঃ শহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাদেরকে বলেন আমি এ বিষয়ে অবগত না আপনারা আমাকে বলেছেন আমি এটা খতিয়ে দেখব চাঁদাবাজ এবং জালিয়াতি কারবারী আমার এলাকায় চলতে দেবো না দৈনিক পএিকার সাংবাদিকেরা এয়ারপোর্ট টিআই সাহেবের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি আমাদের কে বলেন আপনারা আমাদেরকে বলেছেন আমরা এ বিষয়ে খতিয়ে দেখবে আমি একটা অবৈধ করে চলতে দেবো না কোন জালিয়াতি পারমিট বিহীন গাড়ি আমার রোডে চলতে দেবো না ফ্রী পোট টিআই রাজ সাহেবের সাথে কথা বলতে চাইলে উনি আমাদের কে বলেন এ বিষয়ে আমি জানিনা তবে আপনার বলছেন আমি শুনেছি এটাই খতিয়ে দেখব কেউ যদি চাঁদাবাজি করে আমি কাউকে ছাড় দিবো না
বলে আমাদের কে জানিয়েছেন দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিকদেরকে আরও মালিক শ্রমিক বলেন ফ্রী পোট কাটগড় এয়ারপোর্ট পযন্ত সুন্দরভাবে গাড়ি- চালাতে পারে এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনার মহাদয় ও বন্দর ট্রাফিক বিভাগের ডিসি মহোদয় জনো সুদৃষ্টি কামনা করে চাঁদাবাজ পারমিট জালিয়াতকারী কে দরে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের অনুষ্ঠানমালা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা ও নানা অভিযোগ উঠেছে। প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে ঈদ আয়োজন। একাধিক শিল্পীদের অভিযোগ জেনারেল ম্যানেজার পরিবর্তন হলেও এই কেন্দ্রটি ‘যে লাউ সেই কদু’ তেই রয়ে গেছে। প্রোগ্রাম ম্যানেজার রোমানা শারমিন ও পিএ সুকুমার বিশ্বাস নিয়ন্ত্রিত চক্রটি এখনো সক্রিয়। বাস্তবে টিভি পর্দায় তার প্রমান মিলেছে, ঈদের দিন বিকেল ৫টা ৩০মিনিটে প্রচারিত ছায়াছবির গান নিয়ে দ্বৈত সংগীতের অনুষ্ঠানটি দেখে। সদ্য বিদায়ী জি.এম নিতাই কুমার ভট্টাচার্যের আমলে সিন্ডিকেটভুক্ত ও অভিযুক্ত বিতর্কিত প্রযোজক ইয়াদ আহমেদকে দিয়ে আবারো ছায়াছবির গান নিয়ে অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের গান নির্বাচন নতুন তালিকাভুক্ত শিল্পী নির্বাচন এবং যন্ত্রীদের পোষাক দেখলে বুঝা যাবেনা এটি আসলে ঈদের অনুষ্ঠান। এত অযত্ন, এত অবহেলা করে, অনুষ্ঠান করার প্রয়োজন কি? সাউন্ড কোয়ালিটি এতোটাই খারাপ ছিল যে, যার বদনাম শিল্পীদের উপর গিয়ে পড়েছে। এছাড়াও নতুন শিল্পীদের পোষাক এবং গেট আপ দেখলে মনে হবে এটি কোনো গোষ্ঠী ভিত্তিক অনুষ্ঠান। শিল্পী নাজমুল আবেদীন বলেন, বয়স হলে, সিনিয়র হলে সম্মান বাড়ে, কিন্তু এই কেন্দ্রে তার বিপরীত। বিষয়টি খুবই লজ্জাজনক। হয়তো প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে, তাই টিভি কর্তৃপক্ষ ডাকে না।

মুসলমানদের ঈদ উৎসব হলেও ঈদ উপলক্ষে প্রচারিত ছায়াছবির গানের দু’টি অনুষ্ঠানের সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সনাতনী সম্প্রদায়ের সংগীত পরিচালককে। এটি নিয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে সুরকার ও সংগীত পরিচালকদের মাঝে। মুসলমানদের মধ্যে এত সুরকার ও সংগীত পরিচালক থাকতে কেনইবা সনাতন ধর্মের লোক দিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনা করলেন। আরো অভিযোগ রয়েছে মুসলমান অনেক শিল্পী ঈদ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের সুযোগ পাননি তাদের মধ্যে রয়েছে নাজমুল আবেদীন চৌধুরী, মিয়া মোঃ বদরুদ্দিন, ইফতেখার সাদী, আলম আশরাফ, লুবনা জান্নাত, রুনা পারভীন, পলি শারমিন, ইন্তেখাব আলম মান্না, আখেরুল ইসলাম, আখতার হোসেন কিরন, মুসলিম আলী জনি, শেখ নজরুল ইসলাম মাহমুদ, এস.বি সুমী, দিদারুল ইসলাম, শহীদুর রহমান, বাবুল ইসলাম, হানিফ চৌধুরী, রবিউল হক সহ আরো অনেকেই। এছাড়াও প্রযোজক ইয়াদ আহমেদের ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচিতি উপস্থাপিকাকে দিয়ে উপস্থাপনা করাতে সিনেমা গানের অনুষ্ঠানকি দর্শকদের নিকট গ্রহনযোগ্য হয়ে উঠেনি। এর চেয়েও সুন্দর মার্জিত ভালো উপস্থাপিকা টিভিতে রয়েছে। তাহলে বার বার একই মুখ কেন? এর দুর্বলতা কি?

ইলন শফির এর প্রযোজনায় আনন্দ মেলায় গান নিয়েও শিল্পীদের ক্ষোভ বিরাজ করছে। ২টি দেশের গান করার জন্য রোজার মাসে চট্টগ্রাম শহরের এত সুন্দর জায়গা থাকতে শিল্পীদের কাপ্তাই নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন কি ছিল, শিল্পীরা এটিকে শাস্তি হিসেবে দেখছেন। টিভি হয়েছে ২৬ বছর হবে। এত কষ্ট শিল্পীরা আগে কখনো করেনি। এই গান করতে গিয়ে শিল্পীরা অনেকেই অসুস্থ হয়েছেন। আবার দিন শেষে শিল্পী সম্মানীর চেকও পাননি। এর জন্য প্রযোজক ও প্রোগ্রাম ম্যানেজারের অনভিজ্ঞতাকে দায়ী করেছেন অংশগ্রহনকারী শিল্পীরা। আবার অনেকে এই ঝামেলা এড়াতে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেননি। চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও চিত্রনায়িকা পূর্ণিমাকে দিয়ে আনন্দ মেলা অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করলেও প্রচার প্রচারনার অভাবে অনুষ্ঠানটি উপভোগ্য হয়ে উঠেনি। আনন্দ মেলা অনুষ্ঠানে দু’টি মৌলিক গান রাখা হলে এমন কি দোষ হতো, সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজেছেন অনেকেই। স্থানীয় শিল্পীদের অংশ গ্রহন বাড়ানো গেলে অনুষ্ঠানটি আরো প্রাণবন্ত হতো।

গীতিকার দিলীপ ভারতী বলেন, পুরো অনুষ্ঠানমালায় একটি আধুনিক গানের অনুষ্ঠান হয়নি। এতে করে গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালকরা মৌলিক কাজ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আধুনিক গানের প্রতি টিভি কর্তৃপক্ষের এতো উদাসীনতা কেন? সেটি এখনো জানা গেলনা। এছাড়াও এপ্রিল মাসে আধুনিক গানের নিয়মিত সিডিউল ছিলনা অজানা কারণে। তালি জোড়া দিয়ে ধার করা অনুষ্ঠান দিয়ে ঈদ অনুষ্ঠানমালা সাজানোর কোনো কৃতিত্ব নেই। এমনটি অভিযোগ সংস্কৃতি কর্মীদের। প্রতিটি অনুষ্ঠানে একজনকে গ্রন্থনা করার দায়িত্ব দেয়া হলে, একজন করে উপস্থাপক উপস্থাপিকা যুক্ত করলে, মৌলিক গানের অনুষ্ঠানে গীতিকার ও সুরকার এবং সংগীত পরিচালনা যুক্ত করলে প্রচার প্রচারনা যেমন বেশী হতো তেমনি অনুষ্ঠানের মানও বৃদ্ধি পেতো। চট্টগ্রামের সংস্কৃতিকর্মীদের অভিযোগ টিভিতে ইয়াদ আহমেদ ছাড়া প্রযোজক কি আর নেই? ঈদের সব অনুষ্ঠান তাহলে তাকে দিয়ে করানো হবে কেন? প্রোগ্রাম ম্যানেজার রোমানা শারমিন এর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ইয়াদ আহমেদ এর বিরুদ্ধে নারী ও অর্থ কেলেংকারী সহ নানা অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও সদ্য বদলী হওয়া বিতর্কিত জেনারেল ম্যানেজার নিতাই কুমার ভট্টাচার্য সিন্ডিকেট তালিকায় অপকর্মের হোতা হিসেবে ইয়াদ আহমেদ বেশ সমালোচিত। ১৪০ জনেরও বেশি উপস্থাপক উপস্থাপিকা থাকলেও তাদের ডাকা হয়নি। ঘুরে ফিরে কয়েকজন মুখকেই প্রায় দেখা যায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালায়। এছাড়াও ঘোষিকারা অভিযোগ করে বলেন, তাদেরকে উপস্থাপনায় রাখা হয়না। ঘোষিকাদেরকে দিয়ে অনুষ্ঠান করালে অনুষ্ঠানের মান বৃদ্ধি পায়। কেননা, উচ্চারন, ড্রেসাপ, গেট আপ এবং সময় সবকিছুর বিষয়ে তারা যথেষ্ট সচেতন। এছাড়াও এই কেন্দ্রে সুশীল সমাজের অনেককে গ্রন্থনাকারী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হলেও তাদেরকে কাজ কি? তালিকাভুক্তির কাগজ নিয়ে ঘরে বসে থাকার জন্যই কি গ্রন্থনাকারী হয়েছে? কোনো অনুষ্ঠানে তাদের যুক্ত করা হয় না এর যুক্তি কতটুকু।

নাট্যকার অভিনেতা মহসিন চৌধুরী বলেন, ঈদ উপলক্ষে কর্তৃপক্ষ চাইলে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নাটক প্রচার করতে পারতো, কিন্তু সেটা করেনি। ঈদ উপলক্ষে নাটক প্রচার করা হলেও সেটির সাউন্ড কোয়ালিটি অডিও ভিডিও মানসম্মত ছিলনা। ঢাকা থেকে শিল্পী এনে অনুষ্ঠান করা হলেও বঞ্চিত হয়েছে চট্টগ্রামের অনেক প্রতিভাবান শিল্পী। চট্টগ্রামে তালিকাভুক্তি হননি, এমন অনেক মেধাবী সুন্দর সুন্দর ছেলে মেয়ে রয়েছে, যারা কিনা স্যাটেলাইট চ্যানেলে নিয়মিত অনুষ্ঠান করছেন। সব মিলিয়ে জোড়া তালি মার্কা ঈদ অনুষ্ঠান দর্শকদের সাথে এক ধরনের প্রতারনা। চট্টগ্রাম মিডিয়া ফোরামের সভাপতি আলী নেওয়াজ বলেন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রে চট্টগ্রামের শিল্পীরাই বঞ্চিত। তাহলে কেনইবা এত আয়োজন।

চট্টগ্রামের একাধিক শিল্পী, অভিনেতা, গীতিকার, সাংবাদিক, গল্পকার, কবি, নাট্যকার, সংস্কৃতিকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, টিভি’র প্রযোজক ও সহকারীরা সবকিছু করলে এই শহরে আমাদের কাজ কি? এই কেন্দ্রে সব শাখায় তাদের তালিকাভুক্ত করে নেওয়া হোক, তাহলে তারাই আয়োজক, তারাই দর্শক হবে।

প্রশ্নবিদ্ধ বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ঈদ অনুষ্ঠানমালা