পুলিশের দায়ের করা মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় সাংবাদিক আশরাফ এর মুক্তি।

ডেক্স প্রতিনিধিঃ আরিফুল ইসলাম ইমন
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৮২ Time View

পুলিশের দায়ের করা মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় সাংবাদিক আশরাফ এর মুক্তি।

১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ সালে সকাল আনুমানিক ১০টা দিকে চট্টগ্রাম সীতাকুন্ড থানাধীন বাইপাসে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে একটি মাইক্রো গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশবক্সে থাকা কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্ট আলামীন তাকে সিগনাল দেয় তারপরে এই গাড়িটা কে সরকারি কাজে ব্যবহার করার জন্য কাগজপত্র জব্দ করেন। একপ্রকার গাড়িটাকে ছাড়ানোর জন্য অনুরোধ করেন সার্জন আলামিনের কাছে আশরাফ কোন প্রকারের গাড়ি ছাড়তে রাজি নয় সার্জন আলামিন।

পরে আশরাফ তার নিজের পরিচয় পত্র দেখালে সার্জন আলামিন ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে আইনের আওতায় আনা হয় সেই সময় সার্জন আলামিন মোবাইল ফোন এর মাধ্যমে সীতাকুণ্ড থানা কে অবগত করলে কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার সাব ইন্সপেক্টর জাহিদুল ইসলাম জসিম সীতাকুন্ড থানায় নিয়ে যান।
পরবর্তী সার্জন আলামিন এবং আশরাফ এর মধ্যে সংশোধনের বিষয় নিয়ে একপ্রকার মীমাংসা হয়।

আশরাফ তার ভুল বুঝতে পেরে সার্জন আল-আমিনকে অনুরোধ করেন এই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তার জন্য আলামিন রাজি হয়।

কিন্তু সাব-ইন্সপেক্টর জাহিদুল ইসলাম জসিম বিষয়টিকে ঘুরিয়ে দেন কোন প্রকারে মীমাংসা করতে রাজি নয় তিনি।

পরে আলামিন বাদী হয়ে সীতাকুন্ড থানায়
আশরাফের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
সেই মামলায় কোর্টে চালান করা হয় আশরাফকে
পরে তিনি জামিনে আসেন টানা দুই বছর হাজিরা দিয়ে আসছেন আশরাফ।
চট্টগ্রাম চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলায় মোট ৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন পুলিশের পক্ষে

স্বাক্ষরকারী তিনজন পুলিশ।
২ জন পাবলিক
সার্জন আলামিন। সাব ইন্সপেক্টর জাহিদুল ইসলাম জসিম। আরো একজন পুলিশ কর্মকর্তা।

পরে আরো দুই পাবলিক সাক্ষ্য আসেন সেই সাক্ষ্য মোতাবেক প্রমাণিত হয় সাংবাদিক মোহাম্মদ আশরাফ তিনি নির্দোষ ছিলেন।
সাক্ষী গনের জবানবন্দির ভিত্তিতে আদালতে প্রমাণিত হয়েছে সাংংবাদি কআশরাফ  নির্দোষ।
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহীদুল্লাহ কায়সার তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে আজ রায়ের দিন ধার্য করেন আজ ২৫ /১১ /২০২০ দুপুর ১:২৫ মিনিট সময়ে সাংবাদিক মোঃ আশরাফ কে এই মামলা থেকে খালাস দেন।

মোঃ আশরাফ মামলা খালাস পেয়ে নিজেকে নির্দোষ বলে প্রমাণ করেছেন। তিনি এক বক্তব্যে বলেন আমি যদি দোষী হতাম তাহলে আজ আমার সাজা হত।
আল্লাহ পাক ভাল জানেন আসলে কি আমি দোষী না নির্দোষ। শুধু আমি নয় এমন আরও অনেকেই এভাবে পড়ে আছে আমাদের দেশে। আমাদের দেশের আইন আরও কঠোর হওয়া দরকার তদন্ত আরো বাড়ানো দরকার। শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হয় না।
আইনের প্রতি ভালো একজন তদন্ত কর্মকর্তা থাকা দরকার আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে মাননীয় সরকার প্রধানের কাছে আবেদন জানাচ্ছি আমাদের দেশে তদন্ত কর্মকর্তা আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বাসভবন নির্মানের জন্য সংশোধিত ডিজাইন ও দরপত্রের অনুমোদন পেলে করা হবে নতুন ভবন।

স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক গৃহীত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বাসভবন নির্মান প্রকল্পে নতুন ভবন নির্মান এর ক্ষেত্রে ভবনের Soil Test করে ফাউন্ডেশন এলজিইডি’র ডিজাইন ইউনিট হতে যাচাইপূর্বক প্রাক্কলিত মূল্য স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে পূর্বানুমোদন নেয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, বোয়ালখালী ইতিমধ্যেই Soil Test, Topo Survey সম্পন্ন করায় এলজিইডি ডিজাইন ইউনিট হতে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে ডিজাইন পাওয়া গিয়েছে। পরবর্তীতে সংশোধিত ডিজাইন অনুমোদিত হয়েছে ৩০ নভেম্বর ২০২০ তারিখ। সর্বশেষ অনুমোদিত ডিজাইন অনুসারে প্রস্তুত করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
যথাযথ প্রক্রিয়ায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বাসভবন নির্মান প্রকল্পের কাজ চলমান।

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে উপজেলাসমূহের জন্য উন্নয়ন সহায়তা থোক বরাদ্দ থেকে উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনাদি নির্মান/পুনঃনির্মাণ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ উপখাতে রক্ষিত আছে বলেও জানা যায়।

এছাড়াও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পাওয়ার পর দেশের সার্বিক অবস্থার কারণে দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় ওই বিলের টাকা তুলে সোনালী ব্যাংক বোয়ালখালী শাখার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের যৌথ হিসাব নম্বরে জমা করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিধি অনুযায়ী কার্যক্রম প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে বরাদ্দ এসেছে। বরাদ্দ দিয়ে তারা বলে, Soil Test দুই ভবনের জন্য যেকোনো একটি সিঙ্গেল ভবনের জন্য অর্থবছরে ৪০ লাখ টাকা পাওয়ার কথা। দেওয়ার পরে বরাদ্দপত্রে উপজেলা পরিষদের অনুকূলে বরাদ্দায়ন হচ্ছে। জিডিও হচ্ছে জিডিও মানে আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা উপজেলা পরিষদ। উপজেলা পরিষদ মানে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সেখানে হচ্ছে ৪০ লাখ টাকা দুই ভবনের জন্য সেখানে বলা আছে যে, Soil Test হবে, ডিজাইন হবে, এসিল্যাড হবে, ডিজাইন অনুমোদন হবে তারপর টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাবে। সেক্ষেত্রে এখন যেটা হয়েছে আমাদেরটা বোয়ালখালী উপজেলায় ডিজাইন অনুমোদন হয়ে এসেছে। আমরা ডিজাইন সংশোধন করে পাঠিয়েছি স্থানীয় সরকার অনুমোদন দিলে তারপরে টেন্ডারে যাবে। মিনিস্ট্রি যে টাকা বরাদ্দ এসেছে তা উপজেলা পরিষদের নামে রয়েছে। উপজেলা পরিষদের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার নামে সেই টাকা ফিল খাতে রক্ষিত আছে।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম বলেন, ভবনের ৪০ লাখ টাকা আমাদের কাছে এসেছে তা যোগসাজোশে একটি সরকারি একাউন্ট করে টাকা জমা রেখেছি। ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ কথাটি সত্য নয়। ইউএনও ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়েছে সেটা ঠিক। এটা নিয়ে নিউজ হয়েছে। কিন্তু টাকা আত্মসাৎ এর কথা যেটা বলা হয়েছে সেই টাকা জমা আছে। soil test ও ডিজাইন পাঠানো হয়েছে অনুমোদন না আসলে তো টেন্ডার করা যাচ্ছে না। সারা বছর করোনা ভাইরাসের জন্য কিছু করা যাচ্ছে না বলে আমরা টাকা গুলো সরকারি একাউন্টে ঢুকিয়ে রেখেছি। আর কন্ট্রাক্টর ছাড়া অনুমোদন করার সুযোগ নেই। যে কন্ট্রাক্টর কাজ করবে তাকে পেমেন্ট করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প পথ নাই।

এ সম্পর্কে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব (সমন্বয় ও কাউন্সিল) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের নতুন বাসভবন নির্মাণের জন্য যদি পুরাতন বাসভবন থাকে তাহলে সেটা পরিত্যক্ত ঘোষণা এবং অনুমোদন সাপেক্ষে আমরা বরাদ্দ দিয়ে থাকি। পুরাতনটি যদি জেলা কমিটিতে পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় যদি অনুমোদিত হয় তখন আমরা নতুনভাবে নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দিয়ে থাকি। সাধারণত আমরা প্রতিবছর অল্প অল্প করে টাকা দেই। যাতে একবারে টাকাটা দেই না কারণ এটার এস্টিমেটেড ফস্ট এ্যারাউন্ড ১ কোটি ৩৭ থেকে ৫৩/৫৫ পর্যন্ত ভেরি করে। এটা সয়ল কন্ডিশনের উপর নির্ভর করে। পাইন প্রয়োজন হলে বেশী লাগে আর পাইন না হলে কম লাগে। যেহেতু আমরা একবারে টাকাটা দেই না প্রতিবছর সাধারণত ৪০ লাখ টাকা দেই। দেওয়ার পরে তারা আনুষঙ্গিক কার্যক্রম গ্রহণ করে। বিশেষ করে soil test, estimate এগুলো করতে করতে একটু সময় লাগে। এ কাজটা তো এত সহজে করা যায় না। পরে এটা আমাদের কাছে পাঠায় আমরা এস্টিমেটটা যদি অনুমোদিত হয়। পরে টেন্ডারে যায় টাকাটা খরচ করে। তাহলে প্রথম যে টাকাটা বরাদ্দ দিলাম টাকা তো খরচ করতে পারে না। পরে টাকাটা ভবনের নামে একটা একাউন্ট খুলে ধরেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বা উপজেলা চেয়ারম্যানের নতুন বাসভবন নির্মাণ প্রকল্প। সেখানে একাউন্ট খুলে। এই একাউন্টের মালিক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার। মালিক বলতে জিডিও। মানে আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা। খরচ করবেন দু’জনের স্বাক্ষরে। সেজন্য ওনাদের দু’জনের স্বাক্ষরে হিসাব খুলে টাকাটা ওখানে ঢুকানো হয়। পরবর্তীতে ঐ যে টেন্ডার হলে পর্যায়ক্রমে খরচ করে। যখন সব টাকা খরচ হয়ে যায় তখন ক্লোজ দেখাতে হয়। এখানে আমরা দেখলাম টাকাটা কেবল উত্তোলন করেছে। এখন এস্টিমেট অনুমোদিত হবে। এখানে অনিয়ম কি? সে তো খরচও করে নাই।
মোর দেন হান্ড্রেড (More then Hundred) উপজেলায় এই ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।

বোয়ালখালীতে অনুমোদনের অপেক্ষায় নির্বাহী অফিসারের বাসভবন